জানেন কি নেতাজির কত সম্পত্তি ছিল এবং সেগুলি কোথায় গেলো ? উড়ে গেলো না চিলে নিয়ে গেলো ?
এই মুহুর্তে দিল্লী মিউজিয়ামে ১২ কিলো সোনা ও হিটলারের দেওয়া উপহার, যেমন-সোনার সিগারেট কেস...ইত্যাদি কয়েকটা উপহার রয়েছে।
চলুন দেখা যাক, ইতিহাস কি বলে?
"GIVE ME BLOOD, I PROMISE YOU FREEDOM "...১৯৪৪ সালে রেঙ্গুনে নেতাজির এই বাণী সারা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার নরনারীকে জাতি ধর্ম নির্বিশেষে জাতীয়তাবাদে জ্বালিয়ে দিয়েছিল। তিনি আরও বলেছিলেন "সর্বাত্বক যুদ্ধের জন্য সর্বস্ব পণ"...দেশের স্বাধীনতার যুদ্ধের জন্য সব দিয়ে দাও। তাঁর অমোঘ নির্দেশে সকলে ঝাপিয়ে পড়েছিলেন এবং নিজেদের সর্বস্ব উজাড় করে দিয়েছিলেন প্রিয় নেতাজিকে। মঙ্গলসূত্র পর্যন্ত দিয়েছিলেন মা-বোনেরা। যাইহোক, আমি মূল বিষয়ে আসি।
মোটসম্পত্তিঃ ১) ১৩০ কিলো সোনা। (যার মধ্যে ১৯৪৪ সালে ২৩ শে জানুয়ারি তাঁর জন্মদিনে তাঁর মতের বিরুদ্ধে জনগণ তাদের প্রিয় নেতাজিকে সোনা দিয়ে ওজন করে উপহার দিয়েছিলেন, সেটাই প্রায় ৮৫ কিলো)।
২) আজাদ হিন্দ ব্যাঙ্কে ৪২ কোটি টাকা ও ২৯০০ সোনার সিক্কা।
৩) হিটলারের দেওয়া সোনার সিগারেট কেস, তোজো (জাপানের প্রধানমন্ত্রী) ও মুসোলিনির (ইতালির প্রধানমন্ত্রী) দেওয়া বিভিন্ন দামি উপহার।
৪) ১৮৪০০ ক্যারেটের পান্না, যার বর্তমান আনুমানিক মূল্য ৬০ লাখ আমেরিকান ডলার।
৫) ১৭৮৮০ ক্যারেটের পান্নার বুদ্ধ মুর্তি, যার বর্তমান মূল্য আন্দাজ করাই যাচ্ছে না।
৬) ১৪৭০০ ক্যারেটের ১৭০০ বছর পুরনো পান্নার বুদ্ধমুর্তি, যার বর্তমান মূল্য ১৫ লাখ আমেরিকান ডলার।
পুরো সম্পত্তির বর্তমান মূল্য দাড়ায় ৯০০ ক্রোড় আমেরিকান ডলার।
এই বিপুল সম্পত্তি কোথায় গেলো জানেন?
১৮ আগস্ট ১৯৪৫ এর সেই নাটকীয় বিমান দূর্ঘটনার পরেই সাত দিনের মধ্যেই জাপান সমস্ত সম্পত্তি নেতাজির আজাদ হিন্দ ফৌজেরই রামামুর্তী ও আইয়ারের হাতে দিয়েছিল। গদ্দার রামামুর্তী ও আাইয়ার সেই সম্পত্তি নয়ছয় করতে থাকলে জাপান পর পর তিনবার ভারত সরকারকে সরকারি ভাবে তা জানান, কিন্তু নেহেরু তাদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেওয়া তো দূর, শয়তান দুটিকে পুরুস্কৃত করেন।
পর্দার আড়ালে কি হয়েছিল জানেন?
১৯৪৬ সালে নেহেরু সিঙ্গাপুর যায় আসলে ঐ সম্পত্তি ভাগাভাগি করতেই। লর্ড মাউন্ট ব্যাটন ও নেহেরুর মধ্যে সেই সম্পত্তি ভাগ হয় এবং দুই গদ্দার রামামুর্তি ও আইয়ার কিছু পায়। তাই নেহেরু সিঙ্গাপুর গিয়েও আজাদ হিন্দ স্মৃতিসৌধে মালা দিতে যান নি,এমনকি মাউন্ট ব্যাটন ঐ স্মৃতিসৌধ ডিনামাইট দিয়ে উড়িয়ে দিলেও তার প্রতিবাদ করেন নি। শালা, ভারতের সর্বকালের সেরা গদ্দার এবং চোর।
এই জন্যই কি নেহেরুর পরিবারের বর্তমান সম্পত্তি ইংল্যান্ডের রানী এলিজাবেথের থেকেও বেশি ?
নেতাজির অক্লান্ত পরিশ্রমের টাকা, যা দেশকে ভালোবেসে, প্রিয় নেতাজিকে ভালোবেসে, স্বাধীনতার লক্ষ্যে সকলে সর্বস্ব দিয়েছিল, এমনকি মঙ্গল সূত্র পর্যন্ত বাদ রাখেনি, সেই টাকা ভোগ করার জন্য যে অভিশাপ লেগেছে তাই তো গদ্দার নেহেরুর পরিবার একের পর ধংস হচ্ছে, আরও হবে।
নেতাজি কথা রেখেছিলেন, স্বাধীনতা দিয়েছেন আমাদের। এবার আমাদের পালা তাঁকে তাঁর প্রাপ্য সন্মান ফিরিয়ে দেবার এবং সত্য ইতিহাস সকলের সামনে মেলে ধরার।
"এটিকে এতো শেয়ার করুন যেনো সবাই আসল ইতিহাস জানতে পারে"।
#জয়হিন্দ।
#নেতাজিজিন্দাবাদ।।।
(তথ্য সূত্রঃ 'আমি সুভাষ বলছি', 'সুভাষ ঘরে ফেরে নাই' 'নেতাজির ২০১ টা ফাইল যা কেন্দ্র সরকার সার্বজনিন করেছে, ইন্ডিয়া টুডে,আজতক, জি নিউজ, হিস্টরিক্যাল চ্যানেলের হিস্টোরিয়ানদের documentary...ইত্যাদি ইত্যাদি)
সংগৃহীতঃ~ বিপ্লব দার ওয়াল থেকে
কৃতজ্ঞতায়ঃ~সিদ্ধান্ত কুমার বাগচী

0 Comments