শারীরশিক্ষার প্রয়ােজনীয়তা :
শারীরশিক্ষার অবদান সমাজজীবনে অনস্বীকার্য। এর প্রয়ােজনীয়তা নিম্নরূপ :
১. শিশুর সর্বাঙ্গীণ বিকাশ।
২. শারীরিক বৃদ্ধি ও উন্নতি।
৩.বৌদ্ধিক বিকাশ।
৪. প্রাক্ষোভিক গুণাবলির বিকাশ ও তার নিয়ন্ত্রণ।
৫. সামাজিক সমন্বয়সাধন।
৬. শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি।
৭. স্নায়ু ও পেশির সমন্বয়সাধন।
৮. মূল্যবােধের বিকাশ।
৯. নেতৃত্বদান ও গণতান্ত্রিক চেতনার বিকাশ।
১০. বিনােদন।
১১. সৃজনশীলতার প্রকাশ।
১২. জাতীয় সংহতি রক্ষা করা।
১৩. আন্তর্জাতিক বােঝাপড়া।
১৪. শারীরিক প্রতিবন্ধকতা, বার্ধক্য ও রােগ প্রতিরােধ ও নিরাময়।

0 Comments